১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, রাত ১:১০
বিজ্ঞাপনের জন্য ই-মেইল করুনঃ ads@primenarayanganj.com

শীঘ্রই উচ্ছেদ হবে রেলের অবৈধ স্থাপনায়

প্রাইমনারায়ণগঞ্জ.কম

উকিলপাড়া থেকে গলাচিপাসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথে রেলওয়ের জমিতে নির্মিত সকল অবৈধ স্থাপনা শীঘ্রই উচ্ছেদ করা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকার বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম প্রাইম নারায়ণগঞ্জকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমাদের ডাবল রেল লাইনের প্রজেক্ট চলমান। যত প্রভাবশালীই জড়িত হোক না কেন অবশ্যই সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। গত ৫০ বছর পরেও আমি সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। বর্তমানে যে বা যারা আবার দখল করছে তাদেরকেও শীঘ্রই উচ্ছেদ করবো। বুল্ডোজার দিয়ে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গতঃ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডাবল রেল লাইন প্রকল্পের কারণে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে এ রেলপথে রেলওয়ে জমির উপর নির্মিত প্রায় সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তপক্ষ। এ উচ্ছেদ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকার বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। কিন্তু উচ্ছেদের তেরো মাসের মাথায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের মদদে আবার দখল হয়ে গেছে নগরীর উকিলপাড়া ও গলাচিপায় রেলওয়ের জমি। পুরানো দখলদারদের নিয়ে কতিপয় স্থানীয় ভাইয়েরা নতুন করে ওই জমিতে গড়ে তুলছে লোহা ও টিনশেডের শতাধিক দোকানঘর। এসব ঘরে খুলে বসেছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এ বিষয়ে গতকাল “প্রাইম নারায়ণগঞ্জ ডট নেট” অনলাইন নিউজ পোর্টালে “ উকিলপাড়া-গলাচিপায় রেলের জমি ফের অবৈধ দখল”শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালো রেলওয়ে ঢাকা বিভাগ।

এদিকে, সোমবার (০৯ নভেম্বর) সকালে গিয়েও দেখা যায় অবৈধ দখলের সেই একই চিত্র। রেলের জমিতে নির্মিত লোহা ও টিনশেডের প্রায় শতাধিক দোকান ঘর এখনো ঠায় দাড়িয়ে আছে এবং আরো ২০ থেকে ৩০টি দোকান ঘর নির্মাণ কাজ চলছে। এ ঘরগুলো তৈরীর জন্য এনে রাখা হয়েছে বেশ কিছু লোহার স্ট্রাকচার (কাঠামো)।

এদিকে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ১৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি পারভেজ বলেন, এ বিষয়ে সফিউদ্দিন ভালো বলতে পারবে। এসম্পর্কে আমি কিছু জানি না।

১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সফিউদ্দিন প্রধান প্রাইম নারায়ণগঞ্জকে বলেন, একেবারে ২নং রেল গেট থেকে গলাচিপা পর্যন্ত রেলের জায়গায় সবাই ঘর তুলছে। আসলে থানার লোক আমার সাথে যোগাযোগ করে না। তারপরও আমি একদিন গিয়ে বাধা দিয়েছি, কিন্তু যারা দোকান তুলছে তারা বলছে আমরা রেলওয়ে থানাকে ম্যানেজ করেছি। রেলওয়ে যদি পুলিশ ম্যানেজ থাকে, রেল পুলিশ যদি কিছু না বলে আমি তো কিছু করতে পারি না।

তিনি আরও বলেন, আসলে ওয়ার্ড আমার ঠিক আছে। কিন্তু যারা ঘর তুলছে তারা নতুন করে আবার দখলে যাইতে চাইতাছে।

যারা ঘর তুলছে তারা সকলেই আপনার লোক হিসাবে পরিচিত, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুক্কুর মিয়া, ইলিয়াছ, পিল্লু, পিল্লুর ভাই, হাজী নুর হোসেন সাহেব জড়িত। আসলে নন্দীপাড়া ডি এন রোড এ তো আমার লোকই সব।

তিনি আরও বলেন, কাউন্সিলর হিসাবে আমি তাদেরকে বাধা দিলে তারা আমাকে জানায় ভাই কিছুই হবে না। দুই বছর ব্যবসা করা যাবে। মানে তারাই আমার চেয়ে ভালো জানে। তো আমি চিন্তা করলাম ভোটের রাজনীতি করি। এখন আমাকে যদি সরকার বা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলে তাহলে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি হিসাবে তাদেরকে সহযোগীতা করবো।

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (রাত ১:১০)
  • ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

বাছাইকৃত সংবাদ

No posts found.