১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, সকাল ৭:৪৮
বিজ্ঞাপনের জন্য ই-মেইল করুনঃ ads@primenarayanganj.com

মামুন কান্ডঃ ৮ জনকে ডেকেছে আদালত

প্রাইমনারায়ণগঞ্জ.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মামুন নামে এক যুবককে খুন এবং অপহরণের ভুয়া অভিযোগ এনে ছয় জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দেয়ার ঘটনায় পুলিশের আট কর্মকর্তাকে তলব করেছে নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত। বৃহস্পতিবার বিকালে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আফতাবুজ্জামানের এই নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার থেকে অভিযোগপত্র পর্যন্ত থানা পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির যে আট কর্মকর্তা তদন্ত করেছেন তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে লিখিত বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ সিআইডির বিশেষ পুলিশ নাসির উদ্দিন জানান, মামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদন্ত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই মিজানুর রহমান, সফিকুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, পুলিশ পরির্দশক মোহাম্মদ আফজাল হোসেন তালুকদার, নারায়ণগঞ্জ সিআইডির এসআই জিয়াউদ্দিন উজ্জ্বল ও আরও দুই জন কর্মকর্তা।

চার বছর আগে মামুন নামে এক যুবককে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে ফতুল্লা থানায় মামলা করেছিলেন তার বাবা। প্রথমে তদন্ত করে ছয় জনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনে আদালতে প্রতিবেদন দেন ফতুল্লা থানার এস আই মিজানুর রহমান।

শুনানি চলাকালে মামুন নিজেই বুধবার হাজির হন বিচারকের সামনে। শুরু হয় বাদী ও বিবাদী পক্ষের হট্টগোল। পরিস্থিতি শান্ত করেন আইনজীবীরা। মামুন জানিয়েছেন, বাবা মায়ের সঙ্গে অভিমান করে তিনি বাড়ি ছেড়েছিলেন।

২০১৬ সালে চাঁদপুরের মতলবের আবুল কালাম তার ছেলেকে হত্যার অভিযোগ এনে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। আসামি করা হয় পোশাককর্মী তাসলিমা, তার বাবা রহমত উল্লাহ, ভাই রফিক, খালাতো ভাই সাগর, সোহেল ও ছাত্তার মোল্লাকে।

মামলায় বাদী বলেন, তাসলিমার সঙ্গে তার ছেলের মামুনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের জেরে মামুন ২০১৪ সালে নিখোঁজ হন ও ২০১৬ সালের ৯ মে ছেলেকে অপহরণ করে হত্যার উদ্দেশ্যে গুম করা হয়েছে।

পরে ছয় জন আসামিই গ্রেপ্তার হন। তাসলিমা কারাগারে থাকেন সবচেয়ে বেশি, দেড় বছরের মতো। রিমান্ডেও নেয়া হয়। সোহেলের রিমান্ড শেষে ২০১৬ সালের ১৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান আদালতে প্রতিবেদন দেন।

এতে তিনি লেখেন, ‘উক্ত আসামি গত ১০/০৫/২০১৪ তারিখ সকাল অনুমান ৯ ঘটিকার সময় বাদীর ছেলে মামুনকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিকটিম মামুনকে ঘটনাস্থল লামাপাড়াস্থ হাজী সালাউদ্দিন মিয়ার বাড়ির নিচতলার ১২ নম্বর কক্ষের বাসায় ডাকিয়া আনিয়া উল্লেখিত আসামিসহ তাদের সহযোগী অপরাপর আসামিদের নিয়ে কৌশলে শ্বাসরুদ্ধ করিয়া হত্যা করত লাশ গুম করিয়া শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলিয়া দিয়াছে মর্মে তদন্তকালে জানা গেছে’। অথচ, যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেয়া হয় তিনি স্ব-শরীরে ফিরে এসেছেন।

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (সকাল ৭:৪৮)
  • ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

বাছাইকৃত সংবাদ

No posts found.