১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ভোর ৫:৫০
বিজ্ঞাপনের জন্য ই-মেইল করুনঃ ads@primenarayanganj.com

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাই ধর্ষণ করে : এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী

প্রাইমনারায়ণগঞ্জ.কম

মুফতি ড. সাইয়েদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেছেন, ` আমি নারী বাদীদের বলতে চাই। ধর্ষণের সঙ্গে তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষকরা সম্পৃক্ত।  যারা ওয়াজ করে ও শোনে, মাদ্রাসায় পড়ে ও পড়ায় তাদের দ্বারা ধর্ষণের একটি ঘটনাও দেখাতে পারবে না। ধর্ষকের প্রজনন ক্ষেত্র বানিয়েছ বিশ্ববিদ্যালয়কে। যদি ধর্ষণের জন্য বন্ধ করতে হয়, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করো। `

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলি এলাকায় তাহরিকে খাতমে নুবুয়্যাত বাংলাদেশের আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ` বাংলাদেশে যে পরিমাণ ধর্ষণ হচ্ছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত। আর এর পিছনে আমি চারটি কারণ দেখি। এরমধ্যে প্রথম কারণ হচ্ছে পর্দা। শরিয়তে নারী, পুরুষের পর্দার বিধান রয়েছে। কিন্তু স্কুল, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়, বাজারে তার পালন করা হচ্ছে না। ফলে ধর্ষণ মহামারী আকার ধারণ করেছে। তাই পর্দাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা। ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষার কারণে এমসি কলেজের শিক্ষিত ছেলেরা ধর্ষণ করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, তাই প্রাইমারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কোরআন হাদিস শিক্ষা দিতে হবে। তৃতীয় কারণ হলো, ত্রুটিপূর্ণ আইন। ব্রিটিশদের করা আইনে ধর্ষণ থামানো যাবে না। তাই ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাহবাগ ও মতিঝিলে মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। চতুর্থ কারণ হলো, ভারতীয় স্যাটেলাইট চ্যানেল। এই সব চ্যানেলে পর্ণ ছবি দেখায় যা আমাদের যুবকদের যৌন সুড়সুড়ি দেয়। তাই ভারতীয় সকল চ্যানেল নিষিদ্ধ ও স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলো নিয়ন্ত্রনের দাবি জানান তিনি।

সমাবেশে তাহরিকে খাতমে নুবুয়্যাত বাংলাদেশের ব্যানারে ধর্ষণ, দুর্নীতি, খুন ও গুম প্রতিরোধে ইসলামি আইন বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (ভোর ৫:৫০)
  • ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

বাছাইকৃত সংবাদ

No posts found.