১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, বিকাল ৩:১৪
বিজ্ঞাপনের জন্য ই-মেইল করুনঃ ads@primenarayanganj.com

মামলা প্রত্যাহার করবে জিসার বাবা

প্রাইমনারায়ণগঞ্জ.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জ ব্যপক আলোচিত রায়হান কবিরকে ছাড়িয়ে এখন সমালোচনার শীর্ষবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দেয়ার ৫১ দিন জিসা মনি নামে সেই মেয়েটির ফিরে আসার বিষয়টি। আলোচনা চলছে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়া ওই মামলার আসামীদের কথাও। কেননা, জবানবন্দিতে তারা বলেছিলেন, মেয়েটিকে তারা ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে তার লাশ ভাসিয়ে দেয়।

কিন্তু মেয়েটিকে জীবিত উদ্ধার করায় তাদের সেই জবানবন্দি মিথ্যে বলে প্রমাণ হয়। সচতেন মহলের প্রশ্ন, এর পিছনে আসল রহস্য কি?
এদিকে জিসা মনির বাবা জাহাঙ্গীর বলেন, সন্তান হারানো কি যে কষ্ট এটা আমরা বুঝেছি। আমরা চাই সব মা-বাবাই সন্তানদের নিয়ে ভালো থাকুক। আজ জিসাকে ফিরে পেয়ে প্রমাণ হয়েছে যে, আমরা যাদের বিরুদ্ধে মামলা দিছিলাম তারা সবাই নিরাপরাধ। ভাগ্যে দোষে তাদের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরাও চাই, তারা নিরাপদে তাদের মার বুকে ফিরে যাক। জিসার বাবা আরও বলেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করবো। যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের প্রতি আমাদের আর কোন অভিযোগ নেই।

এই ঘটনার সংবাদ সম্মেলন করে এএসপি মোস্তাফিজুর রহামান বলেন, আমরা জানতে পেরেছি গত ৪ জুলাই জিসা মনির আব্দুল্লাহর সাথে কথা হয়। পরে ওই দিনই সন্ধ্যা বেলা সদর থানাধীন একটি বাজারে আসতে বলে। পরে আব্দুল্লাহ্ সেই বাজারে যায়। ওইখানে আবদুল্লাহ্’র কাছে জিসা একটি চিপস খেতে চায়। তখন চিপস আনতে গিয়ে আব্দুল্লাহ প্রেমিক আর না আসায় জিসা তার সাবেক প্রেমিক ইকবাল (অটোচালক) কে ফোন দিয়ে বলে ‘তুমি আমাকে নিয়ে যাও।’ এরপর ইকবাল তাকে নিয়ে যায় এবং একজন মৌলবীর মাধ্যমে বিয়ে করে। বন্দর থানাধীন কুশিয়ারা এলাকায় মহসীন মিয়ার বাসায় ঘর ভাড়া নিয়ে তারা দু’জনে সেখানে জীবন যাপন করতে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ২৩ আগস্ট (রোববার) ইকবাল বাসায় এসে দেখে জিসার মন খারাপ। মন খারাপের কারন জানতে চাইলে, জিসা বলে ‘আমার বাবা মার জন্য মন খারাপ লাগতাছে।’ এরপর জিসার মাকে ফোন দেয় ইকবাল। ফোনে বলে, আপনার মেয়েতো আমার কাছে, ভালো আছে। কিন্তু জিসার মা বলে, আমরা জানি সে মারা গেছে। এরপর সে তার মেয়ের সাথে কথা বলে। মেয়ে জিসা তার মায়ের কাছে ৪ হাজার টাকা চায় বিকাশের মাধ্যমে। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীমকে ঘটনাটি জানায় জিসার মা। পরে এসআই শামীম জিসার মার সাথে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে জিসা পুলিশ হেফাজতে আছে।

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (বিকাল ৩:১৪)
  • ২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি
  • ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

বাছাইকৃত সংবাদ

No posts found.